অনলাইনে আয়অনান্যআইডিয়াআউটসোর্সিংওয়ার্ডপ্রেসচাকরি
আপডেট

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করুন

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করা যায় লক্ষ লক্ষ টাকা। একথাটি ১০০% সত্য। এমনকি বাংলাদেশের অনেকের দ্বারাই বাস্তবায়িত।

ইন্টারনেটের সুবাধে অনলাইন বিজনেস এর পরিধি ও প্রসার যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঠিক সেভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর চাহিদাও বাড়ছে।

তাই এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করতে পারেন আপনিও। তাও আবার ঘরে বসেই।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি

আমরা “মার্কেটিং” শব্দটা তো শুনেছি? আসলে মার্কেটিং হচ্ছে যে কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের প্রমোট করা, প্রসার করা ও নির্দিষ্ট কোন পণ্য’র ভোক্তা ( ক্রেতা ) তৈরি করা।

কিন্তু অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল, অনলাইনের মাধ্যমে কোন পণ্য বা সেবার মার্কেটিং বা প্রচার করা। অর্থাৎ অনলাইনে যদি আপনার মাধ্যমে কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রি হয়। তাহলে বিক্রয়ের কিছু কমিশন আপনিও পাবেন। আপনি চাইলে নিচের লিংক থেকে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে পারেনঃ

moneyBag24 Ads.bag

Affiliate Marketing কাদের জন্য উপযোগী?

আমি নিম্নে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করেছি। এগুলোর অধিকাংশ বিষয়ের সাথে যদি আপনার চাহিদা ও আগ্রহের মিল থাকে। তাহলে আমি বলবো: হ্যাঁ! এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আপনি অনলাইন থেকে উপার্জন করতে পারবেন।

  • স্বপ্ন দেখতে এবং স্বপ্নটাকে বাস্তবায়ন করার জন্য আমি নিরলস পরিশ্রম করতে প্রস্তুত আছি তো?
  • আমার মধ্যে “লোভ” জিনিসটা খুব একটা কাজ করে না। তাড়াতাড়ি বড়লোক হওয়ার মিথ্যা বিশ্বাস আমি করি না।
  • আমার পিসি বা ল্যাপটপে আনলিমিটেড ইন্টারনেট কানেকশন আছে কিনা?
  • আমি লোডিং ছাড়াই ইউটিউবিং ও ইন্টারনেট ব্রাউজিং করতে পারি কিনা?
  • পারিপার্শ্বিক কোন রকম বিরক্তবোধ ছাড়াই কাজ করতে পারবেন। এমন পরিবেশ আছে কিনা?
  • আমি ইংরেজি বুঝি ও বায়ারদের সাথে ইংরেজিতে আলাপ-আলোচনা করতে পারি।
  • নতুন নতুন বিষয়ে পড়াশোনা করতে ও রিসার্চ করতে আমার ভালো লাগে। ও মার্কেটিং করার জন্য আমার হাতে পর্যাপ্ত সময়ও রয়েছে?
  • প্রতিদিন কমপক্ষে তিন ঘন্টা সময় শুধু মাত্র অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য ব্যয় করতে পারবেন তো?
  • মানুষ এর মন মানসিকতা ও চিন্তাধারা (Customer Phycology) সম্পর্ক রিসার্চ করতে আপনার ভালো লাগে তো?

উপরের বিষয়গুলোর ৯০% যদি আপনার চাহিদা ও ইন্টারেস্টের সাথে সামঞ্জস্য হয়। তাহলে আপনার জন্য শুভ কামনা। আপনি অনলাইনে মার্কেটিং করে সফর হবেনই, ইনশাল্লাহ।

আরো পড়ুন: সফল হওয়ার উপায়

আর হ্যাঁ, এফিলিয়েট মার্কেটিং করে সফল হওয়ার জন্য একটি প্রতিজ্ঞা নিজের ভিতর মনে-প্রাণে গেথে রাখবেন। এবং সেই অনুযায়ী সঠিক পরামর্শসহ কাজ করে যাবেন। প্রতিজ্ঞাটি হলো:

“ আমি জানি আমি পারব।
আমাকে পারতে হবেই।
আমি বেকার থাকবো না, বরং সাবলম্বী হবই হবো।

প্রতিজ্ঞা

আমি বেকারত্বকে অভিশাপ মনে করি। তবে, বেকারত্বকে ভয় করি না।

অন্তত এই শপথটি নিজের ভিতরে গেথে নিন।

আমি জানি, আমি পারবো।
আমি কর্মঠ, আমি উদ্দমী।
আমি সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী।
নিজের প্রতি আমি কখনই নিরাশ নই, বরং আশাবাদী।

প্রতিজ্ঞা

সামনের বছর আজকের তারিখের ঠিক এই সময়টাতে। আমি একজন সফল মার্কেটার হয়ে দেখাব।

আমি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবই। ইনশাআল্লাহ্!”

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ইনকাম
এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার আগে আপনার ৩ টি বিষয়ের উপর দক্ষতা থাকতে হবে।

১) নিশ সিলেকশনঃ

অর্থাৎ এমনসব যাবতীয় কনটেন্ট। যার সাহায্যে আপনি কাস্টমার এট্রাকশন বাড়াতে পারবেন।

নিশ হতে পারে যেকোন কনটেন্ট। যেমনঃ আর্টিকেল, ভিডিও, অডিও, ছবি বা শিরোনাম উল্লেখ পূর্বক যেকোন কাস্টম লিংক।

২) মার্কেট যাচাইকরণঃ

অর্থাৎ বিষয় ভিত্তিক প্রোডাক্ট মার্কেটিং করার জন্য কোন সাইটটি আপনার জন্য ভালো হবে? কোন সাইট থেকে প্রতারণায় শিকার হবার সম্ভাবনা টুকুও নাই।

এবং প্রমোশনের জন্য, কিভাবে ও কোথায় আপনার পছন্দের নিশ থেকে। ভালো মানের কমিশন ভিত্তিক প্রডাক্ট পাবেন। এজন্য Amazon affiliate ও ClickBank এফিলিয়েট সেরা দুটি সাইট।

৩) মার্কেটিং প্লাণঃ

অর্থাৎ কিভাবে এবং কোথায় সেই প্রডাক্টটি অনলাইন এ অ্যাফিলিয়েট করে কমিশন উপার্জন করবেন।

এছাড়াও অনলাইনে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ওয়েবসাইট বা অন্য কোন মাধ্যমে কোন পণ্যের প্রচার করার কৌশল ও প্রোডাক্টের প্রতি কাস্টমার সোশ্যাল এটেনশন এর ব্যাপারে ধারণা থাকতে হবে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম করার জন্য পূর্ব নির্দেশিকা
  • কোন একটা বিষয় বাছাই করুন যে বিষয়ে আপনি অনেক জানেন বা অনেক লিখতে ও পোষ্ট করতে পারবেন।
  • সেই বিষয়ের উপর সাইট বা পেজ বানান। নিয়মিত ভাল কন্টেন্ট পোষ্ট করুন। সাইট হলে ভিজিটর এবং পেজ হলে লাইকার বাড়ান। ইন্সটাগ্রাম হলে ফলোয়ার বাড়ান। অন্য কোন সাইট হখেল তদ্রুপ কিছু বাড়ান।
  • আপনার পেজ বা সইট এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পণ্য। যেটা আপনি মনে করেন আপনার ফলোয়ারদের জন্য ভাল হবে। শুধুমাত্র এমন কোয়ালিটির পণ্যের অ্যফিলিয়েট লিংক শেয়ার করুন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

এবার ধরে নিচ্ছি। আপনি উপরের টপিকসের সবগুলো ঠিক-ঠাক মতো বুঝেছেন। যদি না বুঝে থাকেন। তাহলে গুগল ও বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্যে আরো রিসার্চ করুন। এবং ভালো মতো জানুন।

এবং প্রমোট করার জন্য যেই প্রোডাক্টটির লিংক পেয়েছেন। সেটি কপি-পেস্ট প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া, ওয়েবসাইট, ব্লগসাইটসহ সঠিক ক্রেতা বা কাস্টমারদেরকে আকর্ষণ করুন।

এবং তাদের মাঝে পণ্যটি ক্রয়ের জন্য আগ্রহ তৈরি করুন। আর এভাবেই আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করতে পারবেন। আর হ্যাঁ, মনে রাখবেন।

আপনার দেয়া লিংক ব্যবহার করে যত বেশি মানুষ পণ্য কিনবে। আপনার উপার্জনও ততো বেশি হবে।

পরিশেষে, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে যদি আপনার আরো বিস্তারিত জানার থাকে। তাহলে, আপনার সমস্যার কথা উল্লেখ করে কমেন্ট বক্সে লিখুন। আশা করি উত্তর পাবেন। ধন্যবাদ।।

moneyBag24 Ads.bag
Show More

Related Articles

2 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close

Adblock detected

Ad blocker বন্ধ করুন।
%d bloggers like this: