অনুপ্রেরণা
Update

চলার পথে পাঁচটি জিনিসই বদলাতে পারে আপনার জিবন

আজ নিজের জিবনের ওপর নির্বাচন করে বাস্তবতার সাথে মিলিয়ে কিছুটা অভিজ্ঞতার কথা লিখালিখি করে শেয়ার করলাম। জানিনা লেখাটা ততটা যুক্তিযুক্ত না থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা আছে এটা থেকে শিক্ষা নেওয়া যাবে যদি মন দিয়ে লেখাটা পড়েন। কিছু লেখা দেখতে সুন্দর না হলেও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করলে বুঝতে পারি লেখার গুরুত্ব কি। তবেই বুঝা যায় প্রতিটা লাইনের জন্য কতটা শিক্ষনীয় হতে পারে। আমার লেখার মাঝে ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টি আকর্ষন করব।

আবেগ দিয়ে নয় বিবেক বৃদ্ধিই জিবনের শুরু :-

-আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে ও তোমাকে পারি নি বোঝাতে আমার পাজর ছিঁড়ে যাবার ক্ষততা কতটা গভীর ছিল। শুধু এটুকু বুঝতে পারছি তুমি আমাকে পেয়ে হ্যাপি ছিলে না। চাঁদ যেমন জোসনাকে আগলে রাখে তেমনি করে আমি ও চাইতাম আমাকে তেমনি করে তুমিও আমাকে আগলে রাখো।চাঁদ ছাড়া যেমন জোসনাকে ভাবা যায় না তেমনি তুমি ছাড়া আমি অসম্পূর্ণতা। যদিও তুমি আমার দুর্বলতা, সংকীর্ণতা নও।হয়তোবা সময়ের সাথে সাথে তোমার ওই বুকে অন্য কেউ ঘুমাবে। অন্য কেউ আমার জায়গাটা দখল করে নিবে। সেদিন হয়তো আমাকে তুমি ভুলেই যাবে অন্য কারো ভালবাসায়। আমার ভালোবাসায় হয়তো কমতি ছিলো তাই তোমাকে বুঝাতে পারি নি। যে তুমি আমার শুধু আবেগ নও, শুধু ভালোবাসাতে নও, শ্বাস-প্রশ্বাসেও মিশে ছিলে। যদি কখনও জানতে চাও এখনও ভালবাসো তখন ও বলবো ভালোবাসি যতদিন দেহে প্রাণ আছে শুধু তোমারই থাকবো কিন্তু তোমার বুকে গিরগিটি হয়ে মাথা রাখবো কি করে বলো? খুব ইচ্ছে ছিল তোমার বুকে মাথা রেখে তোমাকে জড়িয়ে কান্না করব আর বলবো আমাকে আর কষ্ট দিও না। আমি আর সহ্য করতে পারছি না কিন্তু সেটা আর বলা হলো না। শুধু চাইবো ভালো থেকো। আমার চাওয়া গুলো স্বপ্ন হয়ে থাকুক।

–তবে, এটা নয় যে তুমি আমাকে ভালোবাসোনি আমি জানি তুমি আমাকে অনেক বেশি ভালোবাসো কিন্তু আমার ভাগ্য , সময় ও সামর্থ্য তোমার ভালোবাসা পাওয়া থেকে বঞ্চিত করেছে।

–এই আবেগ মস্তিষ্কের বিকৃতি ঘটায়। আবেগ-মোহ-প্রেম সবার ভিতরে আছে অতিরিক্ত কিছু ভালো না। তাই জিবনে সফল হতে হলে অতিরিক্ত আবেগকে ঝেড়ে ফেলে জিবনের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

সময়ের মূল্যায়ন :-

ভালবাসার মানুষ প্রাক্তন হলেও কখনো অপ্রিয় হতে পারে না। হয়তো মানুষ থেকে প্রিয় পাল্টে যায়, মানুষটি থেকে রঙ হারিয়ে যায়। কিন্তু মানুষটির প্রতি কখনো ঘৃণা জন্ম নিতে পারে না।

রবীন্দ্রনাথ একশো বছর আগে বলেছেন, ‘যদি আর কারে ভালোবাস, যদি আর ফিরে নাহি আস, তবে তুমি যাহা চাও, তাই যেন পাও,আমি যত দুখ পাই গো।’

অর্থ্যাৎ তোমার যদি আমাকে কখনো প্রিয় মনে না হয় তবে ভালবাসা পাল্টে নিও। তুমি তোমার মত প্রিয় মানুষকে খুঁজে নিও। তবু তুমি কখনো আমার অপ্রিয় হবে না।

তার আগে বুঝিয়েছেন প্রয়োজনে আমি তোমার দুঃখে বিলীন হয়ে যাবো। তোমার মাঝে চিরজীবন বসবাস করবো। তবু কখনো প্রিয় জায়গা থেকে তুমি হারাবে না।

‘আমারো পরানো যাহা চায়’ কোনো ভালবাসার গান না। এই গান একটি মধুর বিচ্ছেদের গান। যেখানে ভালবাসার মানুষ শত দূরে গেলেও কখনো অপ্রিয় হতে পারে না। মনের একটি কোণায় পড়ে থাকে।
তাই সময়কে মূল্যায়ন করতে শিখতে হয় যা সময়ের সাথে সাথে নিজেকে বদলে নিতে হয়।
কার্তিক বাউল দাস লালন গীতিতে বলেছেন দিন থাকতে দিনের মূল্য দিতে সময় গেলে সাধন হবে না।

যোগ্যতাই সফলতা :-

আমি তোমাকে ভালোবাসি যোগ্যতা নয় অধিকার। যোগ্যতা তো তাদেরকে শোভা দেয় যাদের সামর্থ্য আছে। স্বপ্ন দেখি আমিও কিন্তু আমি ততটাই দেখি যতটা আমি পারব । মাটি হয়ে তো আর আকাশ ছোঁয়া যায় না তাই হয়তো আমিও তোমাকে স্পর্শ করতে পারব না কিন্তু আমি যতোটুকু দিতে পারব বা আছে সেটা যতদিন বেঁচে থাকব ততদিন দিয়ে যাবো। তোমার পৃথিবীর চারিদিকে যোগ্যতার বেড়া। সেটা টপকাতে বলার আগেই পা পিছলে আহত হয়ে গেছি ।আমাকে ভালো রাখতে যোগ্যতা নয় একটুখানি ভালোবাসায় যথেষ্ট যাতে তুমি সন্তুষ্ট নও ।আর তুমি যাতে সন্তুষ্ট তার সামর্থ্য আমার নেই।

Ads.bag

–অধিকার আর ভালোবাসা যদি সব হতো তাহলে একজন আরেকজনকে না দেখে থাকতে পারতো না এমন মানুষ ও জিবন থেকে চলে যেতো না। কোনো স্ত্রী তার স্বামীকে ছেড়ে যেতো না।
পৃথিবীর ইতিহাসে যারা অমর হয়ে আছে তাদের যোগ্যতার জন্যই অমরত্ব লাভ করেছেন। তাই শুধু অধিকার আর ভালবাসা দিয়ে জিবনের লক্ষ্যে পৌঁছানো যায় না। তাই সবকিছুর পাশাপাশি নিজের যোগ্যতার ও মূল্যায়ন করতে হবে।

দৃঢ়তা অবলম্বন :-

জিবনে চলার পথে দৃঢ়তা আর সৎসাহস হলো প্রথম ধাপ আর যেগুলো আছে সেগুলো এর মই মাত্র। নিজেকে কোনো কাজে দুর্বল ভাবাটা বোকামি। এই দুর্বলতার কারনেই অনেকেই অসময়ে ঝরে পড়ে।
ইতিহাসের পাতায় অনেক ব্যক্তি আছে তারা বার বার অসফল হবার পর ও তারা নিজেদের দৃঢ়তা আর পরিশ্রম দিয়ে অনেক বড় বড় কাজও সফল হয়েছেন। তাদের বিখ্যাত হওয়ার পিছনে দৃঢ়তা আর সৎসাহসই ছিল আগে।

চিন্তা-চেতনা দিয়ে সফলতা :-

পৃথিবীর সব মানুষই ভাবুক প্রকৃতির হয়। তবে তারা যদি এই ভাবধারা বা চিন্তাধারাকে কাজে লাগাতে পারে তবেই তারা সফল ব্যক্তি। অনেক কবি আছেন যারা প্রকৃতির সাথে সাথে কবিতা তৈরি করেন কিন্তু সেই কবিতার ছন্দ কেমন হবে, কোথায় গিয়ে রস আচ্ছাধন করবে আর কোথায় শেষ করতে হবে এটা নিয়ে যে চিন্তা করে ছন্দে ছন্দে রস মিশ্রিত করে কবিতাটিকে পূর্নরুপ আকারে প্রকাশ করে।
তেমনি ভাবে আগে চিন্তা করতে হবে আমাকে সফল হতেই হবে! কিভাবে সফল হতে পারবো এটাই ভেবে কাজ করতে হবে। কাজের শেষে ভাবলে আর কিছুই করার থাকে না। তাই সবকিছুর ঊর্ধ্বে থাকতে হবে নিজের চিন্তাধারা। তাইতো কবি তার কবিতায় বলেছেন _______

ভাবিয়া করিও কাজ
করিয়া ভাবিও না।

Show More
moneyBag24 Ads.bag

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
close
Close
Close

Adblock detected

Please! Close the Ads blocker.
%d bloggers like this: